রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

শীর্ষ সংবাদ :
অসহায় মানুষের প্রতি সাহায্য-সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করা এখনি প্রয়োজ নবীগঞ্জে করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সহকারী পুলিশ সুপারের প্রচারণা ৫৬ হাজার কোটি টাকা দান করলেন ধনকুবের আজিম হাসমি ১৫ কোটি টাকার চিকিৎসা সামগ্রী দিলো বেক্সিমকো জটিলতা কেটে গেছে, আকিজ গ্রুপের হাসপাতাল হচ্ছে নিউইয়র্কে করোনায় মৃতদের জানাজা পড়াচ্ছেন বাংলাদেশি আলেম জনগণের পাশে না দাঁড়ানো এমপি মন্ত্রীদের তালিকা তৈরির নির্দেশ শিবগঞ্জে একজনের মৃত্যু, ১৫ বাড়ি লকডাউন ঘোষণা ! আগামীকাল থেকে টিভিতে ক্লাস শুরু, রুটিন প্রকাশ। দেখুন এখানেই সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু!
এবার করোনার ঝুঁকি গ্রামের পথে! -হাম্মাদ হোসেন

এবার করোনার ঝুঁকি গ্রামের পথে! -হাম্মাদ হোসেন

নিজম্ব প্রতিনিধিঃ ২৬ মার্চ থেকে মোটামুটি সব কিছু বন্ধের নির্দেশ পাওয়ার পরে পুরো ধমে জমেছে গ্রামের বাজার। দীর্ঘদিন জীবিকার তাগিদে যারা গ্রামের বাহিরে ছিলো আজ সবাই গ্রামের ভেতরে কেবলমাত্র কর্মক্ষেত্র বন্ধের অজুহাতে।

মানুষের পর মানুষ নদীর পারে,কেবল হোটেল আর গার্মেন্টস কর্মী। যারা কোনদিন ঈঁদের মতো ছুটিতেও গ্রামে আসেনি আজ তারাও গ্রামে আসতেছে। কারণ হিসাবে কিছু জানতে চাইলে সবাই একই কথা বার-বার বলে। যে,সব কিছু বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

তাদের কাছে প্রশ্ন করলাম যে- করোনাভাইরাসের ভয়ে সারা বিশ্বের মানুষ ভয়াবহ সময় পার করছে যার ফলে আমাদের দেশের সরকারও বাধ্য হয়ে সব কিছু বন্ধের নির্দেশ দেন পাশাপাশি এটাও বলা হয়েছে যে,কাজের ছুটিতে সবাই যার যার অবস্থানে (ঘরে)থাকবে কেউই বাইরে বের হবে না। আর আপনারা গ্রামে আসতেছেন এতে করে গ্রাম কি ঝুঁকির সম্মুখীন হবে বলে আপনাদের মনে হয় না?

গার্মেন্টস বন্ধ করে সবাইকেই যার যার বাড়িতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলে আমরা কেমন করে ঐ জায়গায় থাকবো আর থাকলেই বা খাবো কি?

আমাদেরকে তো পুরা বেতনও দেওয়া হয় নাই বলে দাবি করেন তারা। তাদের-ই কয়েকজন আবার আটকা পড়েছেন গার্মেন্টস কোয়ার্টারে। তাদের একজনের সাথেও আমার ফোনালাপ হয়। তাদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে , তারা একপ্রকারে আটকা পড়েছেন বলেই মনে হয়।

কারণ তাদেরকে আজকে ৬টার দিকে ছুটি দেওয়া হয় এবং কোম্পানির গাড়ি করে ঢাকা গাজীপুরে থেকে সিলেটের শ্রমিকদের শায়েস্তাগঞ্জ দিয়ে যাবে। বাকিটা যার যার উপায় করে নিতে হয় বলে জানিয়েছেন। সবাই আসলেও ৬জন সেখানেই থেকে যান।

থাকতে অসুবিধা হবে কি-না এরকম প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে- খাবারের যদি কোন সমস্যা না হয় তবে আমাদের থাকা নিয়ে কোন সমস্যা না। কথাটা শুনে ভালো লাগলো।আশা করি তাদের খাবারে কোন অসুবিধা হবে না।

সবাই যদি চাইতেন তাহলে যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টার ফল হয়তো-বা শহরেই থাকা হতো। কিন্তু, সামান্য আলসেমি আর আতঙ্ক নিয়ে এসেছে আলীপুর, সোনাপুর, টেংরা, নুরপুর, নন্দীগ্রামসহ দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের সকল গার্মেন্টস শ্রমিকদের। এতেকরে,শহর ফাঁকা হয়ে গ্রামে বেড়েছে ঝুঁকি!

গ্রামের মানুষ পর্যাপ্ত পরিমাণে কোনো বিষয়ই সহজে মানতে রাজিও হয় না। যার কারণে বাজারে গেলে দেখা যাচ্ছে মানুষের ভীড় আর ভীড়।

এদিকে, স্কুলের ছুটি পেয়ে বাচ্চারাও করছে সীমাহীন আনন্দ। যার বেশির ভাগই জনসমাগমের অন্যতম কারণ। এদেরকে ঘরে আটকা রাখার যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে পুলিশ বা সেনাবাহিনী মোতায়েন। তারাই হয়তোবা এই জীবন বাঁচানোর নিয়ম বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Bditfactory.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ