বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

শীর্ষ সংবাদ :
নবীগঞ্জের ৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা। প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ ও নিন্দা গরিবের ৫৬০ বস্তা চালসহ আ’লীগ চেয়ারম্যান গ্রেফতার ! ছাতক প্রেসক্লাবের উদ্যােগে করোনা প্রতিরোধে জীবাণু নাশক স্প্রে কার্যক্রম শুরু করোনা প্রতিরোধে ধর্মপাশায় সেনাবাহিনীর টহল জোরদার আল্লামা আব্দুল মোমিন শায়খে ইমামবাড়ির ইন্তেকালে কমলগঞ্জে হযরত শাহ্‌ আজম রহঃ দরগাহ্ শরীফের শোক প্রকাশ আজমল হোসেন চৌঃ পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ানীবাজার বালিঙ্গা গ্রামে ২শত পরিবার কে ত্রাণ বিতরণ ! সিলেটে কল করলেই ঘরে পৌঁছে যাবে মেডিকেল টিম ! আজমল হোসেন ও Orphan Child কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ২০০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ  কমলগঞ্জে অসহায়দের পাশে দারুল হিকমাহ একাডেমী সিলেটে করোনা আক্রান্ত সেই চিকিৎসককে ঢাকা নেওয়া হচ্ছে
প্রাথমিকে নতুন শিক্ষকদের যোগদান যথাসময়ে

প্রাথমিকে নতুন শিক্ষকদের যোগদান যথাসময়ে

ডেইলি সিলেট মিডিয়াঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ পরীক্ষায় নির্বাচিতদের নিয়োগ আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। তবে যেসব জেলায় নিয়োগের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেসব জেলায় এ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। এ নিয়ে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন।

নিয়োগ-সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে কোটা সংরক্ষণ হয়নি অভিযোগ তুলে বঞ্চিতদের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এজন্য দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে নিয়োগের জন্য নির্বাচিতদের।

আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ নওগাঁ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ বাতিল করেন। ফলে ওই জেলায় নিয়োগে আর কোনো বাধাই থাকছে না। দেশের আরও ২৪ জেলায় স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে। সেগুলোর ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে আবেদন করতে আমাদের আইনজীবীকে বলা হয়েছে।

সচিব বলেন, নিয়োগবিধি অনুসরণ করে এবং কোটার শর্ত পূরণ করেই সব সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নিয়োগবিধির কোনো ধরনের লঙ্ঘন হয়নি। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের কাছে সব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। আমি আশা করি নওগাঁ জেলার বিষয়ে আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অন্য সব জেলায় নিয়োগে স্থগিতাদেশও আপিল বিভাগে বাতিল হবে।

এদিকে নওগাঁ বাদে বাকি যেসব জেলায় স্থগিতাদেশ রয়েছে, সেসব জেলার নির্বাচিত প্রার্থীরা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। তারা শেষ পর্যন্ত যোগদান করতে পারবেন নাকি নিয়োগ পরীক্ষার ফল বাতিল হবে- এমন নানা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রার্থী জানান, সরকার যোগদানের সময় নির্ধারণ করলেও আদালতে রিট হওয়ায় তারা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করেও যোগদান করতে পারছেন না। এ বিষয়ে জেলা-উপজেলা থেকে কোনো তথ্য দেয়া হচ্ছে না। এসব নিয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, সব নিয়ম অনুসরণ করে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। নারী কোটায় ৬০ শতাংশ, পোষ্য ২০ ও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২০ শতাংশ অনুসরণ করা হয়েছে। তবে যেসব জেলায় পর্যান্ত নারী প্রার্থী পাওয়া যায়নি সেখানে অন্যান্য কোটার মাধ্যমে পূরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চূড়ান্ত ফলে যারা যোগ্য হয়েছেন তাদের সবাইকে নিয়োগ দেয়া হবে। কাউকে বাদ দেয়া হবে না। তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করে উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

২০১৮ সালের ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে সারাদেশ থেকে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। পরে লিখিত পরীক্ষা হলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর এর ফল প্রকাশিত হয়। তাতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন উত্তীর্ণ হন। এদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হয় ১৮ হাজার ১৪৭ জন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Bditfactory.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ