রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন

শীর্ষ সংবাদ :
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি : সিলেটে কমে আসছে অপরাধ প্রবনতা আরিফ আজাদের বই বিক্রিতে কেন বাধা! -মুহাম্মদ রাশেদ খান সিলেটে সুরমার বুক কেটে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য গোবিন্দগঞ্জে টি-টেন ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ সম্পন্ন বালিটেকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস পালন মাজার জিয়ারতে আগতদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চান মেয়র আরিফ মা যাদের রান্না করে খাওয়াতেন তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত সিলেটে বাসায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ, ফিলিপাইনি তরুণীর সাথে ফ্রেমবদ্ধ ছবি উদ্ধার ‘ধনীদের উচিত গরীবদের বিয়ে করা’- ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতিমন্ত্রী
মূল্য কমলো পেঁয়াজসহ ৬ পণ্যের

মূল্য কমলো পেঁয়াজসহ ৬ পণ্যের

ডেইলি সিলেট মিডিয়াঃ নিত্যপণ্যের বাজারে উত্তাপ কিছুটা কমেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকা পণ্যগুলোর মধ্যে অন্তত ৬টি পণ্যের মূল্য কমেছে। এগুলো হলো—পেঁয়াজ, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ময়দা ও এলাচ। এছাড়া, সবজির বাজারেও খানিকটা স্বস্তি লক্ষ করা গেছে। শীতের সবজির মূল্য নতুন করে বাড়েনি বরং কিছু পণ্যের মূল্য অল্প হলেও কমেছে। তবে এখনও অস্বস্তি বিরাজ করছে মসলার বাজারে। রাজধানীর কাওরান বাজার, মগবাজার, সেগুনবাগিচা বাজার ও মানিকনগর বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের মূল্য আগের সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ২০ টাকা। একইভাবে কমেছে চাল, ডাল, সয়াবিন ও পাম তেলের মূল্য। কমেছে ময়দার মূল্যও। পাশাপাশি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া এলাচের মূল্য এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা।

এ প্রসঙ্গে মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা বলেন, ‘মসলা জাতীয় পণ্যের মূল্য খানিকটা চড়া থাকলেও সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের মূল্য খানিকটা কমেছে। আর শীত আসতে আসতে কমে আসায় সয়াবিন ও পাম তেলের মূল্য কমেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুকনো মরিচ, হলুদ, রসুন, ধনিয়া ও আমদানি করা আদার মূল্য বেড়েছে।’

কাওরান বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝারি ও সরু চালের কেজিতে কমেছে ২ থেকে ৪ টাকা। ৫৪ টাকা কেজি সরু চাল শুক্রবার বিক্রি করতে হয়েছে ৫২ টাকা কেজি দরে। একইভাবে ৪৮ টাকা কেজি মাঝারি চাল বিক্রি হয়েছে ৪৪ টাকায়।

কাওরান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রফিকুল হক বলেন, ‘গত সপ্তাহে ১৫০ টাকায় যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সেই পেঁয়াজ শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।

ডালের বাজারেও খানিকটা স্বস্তি মিলছে ক্রেতাদের। মানিকনগর এলাকার বাসিন্দা কিবরিয়া মোল্লা বলেন, ‘১৫ দিন আগে যে মোটা দানার ডাল ৭০ টাকায় কিনেছিলাম, আজ সেই ডাল ৬৫ টাকা কেজি দরে কিনেছি।’

ব্যবসায়ীরাও বলছেন, মোটা দানা ও মাঝারি দানার ডাল কেজিতে অন্তত ৫ টাকা কমেছে। খোলা সয়াবিন তেল ও খোলা পাম তেলের মূল্য কমেছে কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা। খোলা ময়দার মূল্যও কেজিতে ২ টাকা কমেছে। এছাড়া, যে এলাচের মূল্য গত সপ্তাহে ৪ হাজার ৩০০ টাকা কেজি ছিল, সেই এলাচের কেজি শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আমদানি করা রসুন, আদা ও দারুচিনির মূল্য বেড়েছে। এই তিনটি পণ্যের অধিকাংশই আসে চীন থেকে। খুচরা বাজারে রসুনের কেজি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, আমদানি করা প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি চীনা আদা ১৫০ টাকা ছিল। আদার কেজি এখন মানভেদে ১১৫ টাকা থেকে ১৮০ টাকা। কাওরান বাজারে নতুন আদা বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১২০ টাকায়।

বাজারে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা। আমদানি করা ছোট পেঁয়াজ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং বড় তুরস্ক ও মিসরীয় পেঁয়াজ ৭০ থেকে ১০০ টাকা। শুকনো মরিচ প্রতিকেজি ২৪০ থেকে ৪০০ টাকা। হলুদ প্রতি কেজি ২০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকায় উঠেছে। নতুন করে বেড়েছে দারুচিনির মূল্য। কেজিপ্রতিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে দারুচিনি এখন ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, সবজির মূল্য কিছুটা কমেছে। মাঝারি আকারের একটি ফুলকপি ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক কেজি ভালো টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা এবং মুলা প্রতিকেজি ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজরের দাম। ভালো মানের শিমের কেজি ৩০-৪০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা। নতুন গোল আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৪০-৫০ টাকা, মাঝারি আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা পিস।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Bditfactory.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ