শনিবার, ১৯ Jun ২০২১, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

শীর্ষ সংবাদ : :
করোনা ভ্যাক্সিন সহজলভ্য করতে জাতিসংঘকে ভূমিকা নিতে বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজ এক বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে : এড. নাসির খান মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা ইউনিটের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত সিলেটে ‘ডেভেলপ আওয়ার বিজনেস বাই স্টোরি সেলিং’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী সিলেটে যেসব এলাকায় শুক্রবার বিদ্যুৎ থাকবে না চা শ্রমিকদের মজুরী নির্ধারণের দাবীতে সিলেট ভ্যালীর আলোচনা সভা সাবেক মেয়র কামরানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সিলেট জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল উন্নয়নের স্বার্থে দলের টানে সবাই আজ এক মোহনায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা ইউনিটের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ : ৭ মাসেও আলো দেখেনি তদন্ত কমিটি সিলেটের গোয়াইনঘাটে মাসহ দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা আজ থেকে ট্রাফিক পক্ষ শুরু হচ্ছে সিলেটে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন হাবিবুর রহমান কামরানের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে জেলা আওয়ামী লীগের মিলাদ মাহফিল বড়লেখায় দৌলতপুর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকে নির্মাণাধীন মসজিতে নগদ অর্থ প্রদান বিএনপি নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা রাজ্জাকের রোগমুক্তি কামনা করেছেন নাসিম বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বপন কুমার রায়ের পরলোক গমন সিলেট সদর দলিল লেখক সমিতির আয়োজনে সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার পারভীন আক্তারের বিদায় সংবর্ধনা ‘মান্নান আমার বন্ধু’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফেসবুক স্ট্যাটাস
নবীগঞ্জের রতনপুর গ্রামের প্রাচীন জমিদার বাড়ি ঐতিহ্য হারাচ্ছে

নবীগঞ্জের রতনপুর গ্রামের প্রাচীন জমিদার বাড়ি ঐতিহ্য হারাচ্ছে

এটিএম ফোয়াদ হাসান, নবীগঞ্জ :: কালের বিবর্তনে পুরাতন দেয়ালের পলেস্তারা উঠে গেছে। ধসে পড়েছে ছাদ-দেয়াল। তবুও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে আজও জানান দিচ্ছে ঐতিহ্যের ইতিকথা। মনে হয় যেন দেয়ালে কান পাতলে হয়তো শোনা যাবে প্রাসাদের ব্যস্ত কর্মযজ্ঞের গল্প। অথবা তাদের চলাচল থেকে সৃষ্ট পায়ের শব্দ। হাঁসি বা কান্নার আওয়াজ। অবহেলায়-অযত্নে ইতিহাসের পাতা থেকেও হারিয়ে যেতে বসেছে এমন একটি জমিদার বাড়ি।

নবীগঞ্জ উপজেলার ৬নং কুর্শি ইউনিয়নের রতনপুর জমিদার বাড়ি। এলাকায় মানুষের কাছে বড়বাড়ি বলেই পরিচিত। ভগ্নপ্রায় জমিদার বাড়ির বৃহৎ অংশে এখনো বসবাস করছেন উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সুশীতল রায়সহ কয়েকটি পরিবার। জমিদারির উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুশীতল রায় ও সুব্রত রায়সহ ৬ ভাই আলাদা আলাদা পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।

সুশীতল কুমার রায়ের আদিপুরুষদের হাত ধরেই এই বাড়ির উৎপত্তি। ১৮৯৬ সালে তৎকালীন জমিদার কীর্তি চরণ রায় এই বাড়ি নির্মাণ করেন। রাজকীয় নির্মাণশৈলীতে তৈরি বাড়িটি ছিল ঐতিহ্যের ধারক-বাহক। এ বাড়িটির পাশ ঘেষে অবস্থিত অমৃতকুন্ড বিলটিও জমিদারির অংশ হিসেবে ছিলো। প্রচলিত আছে, জমিদার কীর্তি চরণ রায়সহ তিন ভাই ছিলেন। কীর্তি চরণ রায় পরিবারের বড় ছিলেন। কীর্তিচরণ রায় এই বাড়িটি নির্মাণ করায় বাড়িটির নাম বড়বাড়ি বলেই প্রচলন হয়।

লোকমুখে বড় বাড়ি বলেই পরিচিতি লাভ করে। জানা যায়, বাংলা ১৩০৬ সাল থেকে প্রতি বছরই অনাড়ম্বরের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতো এ বাড়িতে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় বেশ কয়েক বছর পূজা বন্ধ থাকলেও আবার তা চালু হয়। ঐতিহ্যবাহী পূজা হিসেবে নবীগঞ্জ উপজেলায় সর্বজন পরিচিত বড়বাড়ির দুর্গাপূজা। সুশীতল রায়ের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঐতিহ্য সংরক্ষণে কার্যত গুরুত্বপূর্ণ কোন উদ্যোগ এখন অবধি নেয়া হয় নি। তিনি বেশ কয়েকবার সরকার থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে ক্ষুদ্র পরিসরে সংস্কারের জন্য অনুদানের জন্য আবেদন করলেও তা সংস্কার কাজে খুব একটা ভূমিকা রাখে নি।

তিনি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই এই নিদর্শনের খোঁজে দর্শনার্থীরা আসেন। কিন্তু দিনেদিনে ভগ্নপ্রায় এই নির্দশন এর ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার পথে। প্রায় ১২৫ বছরের পুরনো এই বাড়িটির অনেকাংশই এখন বিলীন হওয়ার পথে। ২০১৬ সালে বাড়ির এক পার্শ্ব অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। বাকি এক পার্শ্ব ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতেই কালের সাী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রতনপুরের এই জমিদার বাড়িটি। এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সরকারী উদ্যোগের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ডেসিমি/ইই





© All rights reserved © 2018 dailysylhetmedia
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ